জেনে নিন কিভাবে পাবেন মেসির দেশ আর্জেন্টিনার ভ্রমণ ভিসা
আর্জেন্টিনা! কে না জানে এই দেশটির নাম। বিশ্বের মধ্য অন্যতম একটি জনপ্রিয় দেশ লাতিন আমেরিকার এই আর্জেন্টিনা। অনেকেই আআর্জেন্টিনা কে মেসির দেশ নামে ও চেনে। বিশেষ করে ২০২২ সালের ফুটবল বিশ্বকাপ জেতার পরে বাংলাদেশের মানুষের আর্জেন্টিনা প্রীতি যেনো আরো বেড়ে গিয়েছে।
আর্জেন্টিনা দেশঃ
আর্জেন্টিনার সরকারি নাম রিপাবলিকা আর্জেন্টিনা বা আর্জেন্টাইন রিপাবলিক। মাত্র ৪৬ মিলিয়ন মানুষ বসবাস করে এই দেশটি তে যেখানে বাংলাদেশের মানুষের সংখ্যা ২৭০ মিলিয়ন। আর্জেন্টিনার রাজধানীর নাম বুয়েনস আয়ার্স। আর্জেন্টিনার রাজধানীতে প্রায় ১৫ মিলিয়ন মানুষের বসবাস।
লাতিন আমেরিকার দেশগুলোর মধ্য আর্জেন্টিনা ভ্রমণ পিয়াসী মানুষ তালিকার শীর্ষে। আর্জেন্টিনার মানুষ অত্যান্ত বন্ধুসুলভ। ফুটবল এবং খাবার আর রেড ওয়াইনের জন্য আর্জেন্টিনা বিশ্ব ভ্রমণ পিয়াসী মানুষের কাছে সুপরিচিত।
আর্জেন্টিনার ভ্রমণ ভিসাঃ
বাংলাদেশী নাগরিকদের জন্য আর্জেন্টিনা তে প্রবেশ করতে হলে সংগ্রহ করতে হবে আর্জেন্টিনার টুরিস্ট ভিসা। ১৯৭১ সাল থেকে বাংলাদেশে আর্জেন্টিনার কনস্যুলার সেবা বন্ধ হয়ে যায়। তবে আশার আলো জাগিয়ে পুনরায় ২০২৩ সালের ২৮ শে ফেব্রুয়ারী ঢাকায় আনুষ্ঠানিকভাবে আর্জেন্টিনার দূতাবাস চালু হয়েছে। এখন থেকে আর ইন্ডিয়াতে যেতে হবেনা। বাংলাদেশে বসেই খুব সহজেই পেতে পারেন ফুটবলের যাদুকরের দেশ লাতিন আমেরিকার আর্জেন্টিনার ভ্রমণ ভিসা।
যদি আপনি নির্দিষ্ট কিছু রিকুয়ার্মেন্ট ফিল আপ করতে পারেন তাহলে খুব কম সময়ে এবং স্বল্প সময়ে পেয়ে যাবেন আর্জেন্টিনার টুরিস্ট ভিসা।

আরো পড়ুনঃ ইন্দোনেশিয়ার সেকেন্ড হোম ভিসা
আর্জেন্টিনার ভ্রমণ ভিসা পেতে যা যা জানা প্রয়োজনঃ
১) সার নেমন (বংশগত নাম)
২) ফুল নেম
৩) মিডেল নেম ( যদি থেকে থাকে)
৪) বাবার সার নেম (বংশগত নাম)+ ফার্স্ট নেম
৫) মায়ের সার নেম(বংশগত নাম)+ ফার্স্ট নেম
৬) সেক্স ( মেল/ফিমেল)
৭) জনস্থান ও জন্ম তারিখ
৮) জাতীয়তা
৯) আইডি কার্ড এর কপি
১০) সম্পুর্ন ঠিকানা এবং হাউজ ফোন নাম্বার ( যদি থাকে)
১১) ইমেইল এড্রেস এবং ব্যাক্তিগত ফোন নাম্বার
১২) পাসপোর্টের ধরন ( সাধারণ পাসপোর্ট নাকি সরকারি কর্মকর্তা)
১৩) পাসপোর্ট কোন দেশ থেকে ইস্যু করা, পাসপোর্ট ইস্যু এর তারিখ এবং পাসপোর্ট এক্সপায়ার্ড এর তারিখ
১৪) কোনো জব করেন কিনা? করলে সেটা কি ধরনের জব? জবে আপনার পজিশন কি? অফিসের ফোন নাম্বার ( যাদের জব আছে তাদের ক্ষেত্রে)
১৫) বিবাহিত নাকি অবিবাহিত
১৬) ভ্রমণের উদ্দেশ্য কি এবং কতোদিন থাকবেন
১৭) আর্জেন্টিনা স্পনসর লেটার এবং স্পনসর এর বিস্তারিত তথ্য ( একদম নিচে লাল রঙের সেকশনটি পড়ুন )
১৮) আর্জেন্টিনা তে কোথায় থাকবেন ( হোটেল বুকিং দেখালেই হবে)
১৯) সম্ভাব্য কতো তারিখে আর্জেন্টিনা তে যাবেন আর কতো তারিখে ফিরে আসবেন (ডামী টিকেট দেখালেই হবে)
২০) সাথে স্পাউস গেলে তাদের পাসপোর্টের ডিটেইলস এবং জাতীয়তা, ফোন নাম্বার, ঠিকানা ইত্যাদি
২১) পূর্বে আপনি আর্জেন্টিনার ভিসার জন্য আবেদন করেছিলেন কিনা ( যদি করে থাকেন তাহলে সেটার বর্ননা) না করলে স্কিপ করে যাবেন।
২২) গত ৩ বছরে আপনি কোন কোন দেশ এবং শহরে ভ্রমণ করেছেন সেটার সংক্ষিপ্ত বর্ননা
২৩) আপনি বর্তমানে কোন শহরে আছেন, আর আবেদন টি কতো তারিখে করছেন সেটা উল্লেখ করতে হবে
২৪) ৩০০০-৫০০০ ডলার সমপরিমাণ দেশীয় টাকার ব্যাংক স্টেটমেন্ট + ব্যাংক সলভেন্সি
২৫) ক্রিমিনাল রেকর্ড সার্টিফিকেট বা পুলিশ ক্লিয়ারেন্স সার্টিফিকেট
২৬) ব্যবসা করলে ব্যবসার ডকুমেন্টস প্রভাইড করতে হবে
২৭) স্টুডেন্ট হলে ইউনিভার্সিটি থেকে ভ্রমণের অনুমতিপত্র।
উপরে বর্নিত সমস্ত ডকুমেন্টস গুলোর মধ্য সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ হলো আর্জেন্টিনা থেকে অরিজিনাল স্পনসর লেটার ম্যানেজ করা। ভিসা দেওয়া বা না দেওয়ার অধিকার সম্পুর্ন এম্বাসির হাতে। তবে আপনি যদি অরিজিনাল স্পন্সর লেটার ম্যানেজ করতে পারেন তাহলে ভিসা পাওয়ার সম্ভাবনা ৯০% বৃদ্ধি পাবে।
আর্জেন্টিনার টুরিস্ট ভিসা পেতে অরিজিনাল স্পনসর লেটারের প্রয়োজন হলে মেইল করুন নিচের ইমেইলে ,ফেসবুক মেসেঞ্জারে বা ইন্সটাগ্রামে। আমরা আর্জেন্টিনার অরিজিনাল স্পনসর লেটার প্রভাইড করে থাকি।
যোগাযোগঃ
ফেসবুকঃ এখানে ক্লিক করুন
ইন্সটাগ্রামঃ এখানে ক্লিক করুন
ইমেইল করুনঃ indobanglainfo@gmail.com





