বাংলাদেশীদের ভিসা দিচ্ছেনা ইন্দোনেশিয়া, ২ মাসে ও মেলেনি কোনো সমাধান
সম্প্রতি গত নভেম্বর ২০২২ সালের মাঝামাঝি থেকে ইন্দোনেশিয়ান ইমিগ্রেশন থেকে বাংলাদেশীদের ভিসা দেওয়া বন্ধ করে দিয়েছে। ইন্দোনেশিয়া অনেক আগে থেকেই বাংলাদেশী নাগরিকদের ভিসা অন এরাইভাল সুবিধা দিয়ে আসছিলো। কিন্ত কোভিড-১৯ এর পর থেকে পর্যায়ক্রমে ইন্দোনেশিয়া অন্যান্য দেশগুলোকে ভিসা অন এরাইভাল সুবিধা দিতে থাকলেও বাংলাদেশ বরাবরই লিস্টের বাহিরে।
বাংলাদেশীদের জন্য টুরিস্ট ভিসার ই-ভিসা বহাল ছিলো। কিন্ত গত নভেম্বর ২০২২ সাল থেকে ইন্দোনেশিয়ান ইমিগ্রেশন থেকে সেটা ও বন্ধ করে রেখেছে। বাংলাদেশী পাসপোর্ট হোল্ডারদের ভিসা আবেদন সম্পুর্ন রুপে ঝুলে আছে মাসের পরে মাস। ভিসা বন্ধের কারন হিসাবে মনে করা হয় যে “হাজার হাজার বাংলাদেশী নাগরিক ইন্দোনেশিয়া তে এসে,ইন্দোনেশিয়া থেকে অবৈধভাবে মালেয়শিয়াতে অনুপ্রবেশ করে৷ সেকারনেই ইন্দোনেশিয়ান ইমিগ্রেশন থেকে বাংলাদেশীদের ভিসা বন্ধ করে রেখেছে।
অপরদিকে বাংলাদেশ ইন্দোনেশিয়া থেকে মিলিয়ন ডলারের পন্য কেনে। ট্রেনের পার্টস, বাস, কয়লা এবং পাম অয়েল সহ বিশাল বানিজ্য আছে ইন্দোনেশিয়ার সাথে। তারপর ও ইন্দোনেশিয়ান ইমিগ্রেশন থেকে বাংলাদেশীদের ভিসা একনাগাড়ে বন্ধ করা হয়েছে। তবে এ নিয়ে নেই কোনো মাথাব্যথা। গত ২ মাস পার হলেও এই সমস্যার কোনো সমাধান হয়নি।পররাষ্ট্রমন্ত্রীর আনুষ্ঠানিকভাবে ঢাকায় ইন্দোনেশিয়ান এম্বাসি পরিদর্শন করার পরেও নেই কোনো অগ্রগতি।
বাংলাদেশী পাসপোর্ট হোল্ডারদের ইন্দোনেশিয়া ভ্রমণ যেনো এখন পুলসিরাত পার হওয়ার মতো। অপরদিকে ই-ভিসা হোল্ড রেখে ইন্দোনেশিয়ান ইমিগ্রেশন বিশ্বের বিভিন্ন দেশে অবস্থিত তাদের দূতাবাস গুলোতে খবর পাঠিয়েছে বাংলাদেশীর ভিসা না দেওয়ার জন্য। একজন বাংলাদেশী হিসাবে এটা যেমন নিজের লজ্জা তেমনি গোটা দেশের লজ্জা। কিছু মানব পাচারকারী চক্রের কারনে আজকে সমগ্র দেশের ভ্রমণকারী যারা কিনা ইন্দোনেশিয়াতে বেড়াতে আসতে চান, তাদের উপরে বিরুপ প্রভাব পড়ছে। ইন্দোনেশিয়ান ইমিগ্রেশন বাংলাদেশীদের ভিসা বন্ধ করার পরেই বোঝা গেলো বাংলাদেশের সাথে ইন্দোনেশিয়ার আসলেই সম্পর্ক টা কেমন।





